ইফতারে চাই স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর ও সুষম খাবার। তৈলাক্ত, অতিরিক্ত ভাজা ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে চেষ্টা করুন।
– গরম পানীয় যথা—চা, কফি ইত্যাদি পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, এতে এসিডিটি হতে পারে। তাই রোজার সময় চা, কফি ইত্যাদি পরিহার করা উচিত।
– ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। খাদ্যতালিকায় পানিবহুল ফলমূল ও সবজি রাখতে হবে পাশাপাশি প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ দই বা দইয়ের তৈরি খাবার রাখতে পারেন।
– ইফতার হতে হবে অল্প পরিমাণে সহজভোজ্য বা সহজপাচ্য খাবার দিয়ে। এরপর মাগরিবের নামাজ পড়ে রাতের খাবার খেয়ে নেওয়া ভালো। সম্ভব হলে তারাবির নামাজের আগেই খেয়ে নিন। এতে খাবারের পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে নামাজ পড়তে গেলে নামাজের সময় একপ্রকার ব্যায়াম হয়ে যাবে, যা খাবার পরিপাকে সহায়ক। এতে এসিডিটি হওয়ার ঝুঁকিও কমবে।
– অতিরিক্ত চিনি বা বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিকারক দ্রব্য মেশানো খাবারগুলোর ফলেও এসিডিটি সৃষ্টি হতে পারে, তাই এগুলোর পরিবর্তে ফ্রেশ ফলের জুস, ডাবের পানি, ইসবগুল, তোকমার শরবত ইত্যাদি গ্রহণ করতে পারেন।
– অনেকেই সাহরি খেয়েই সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়েন। এতেও এসিডিটি ও বদহজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সাহরি গ্রহণ করে কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করে ঘুমাতে যাওয়া উচিত।






