মাঝেমধ্যে মনখারাপ হয় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে দীর্ঘদিন আশাহত থাকা এবং সেখান থেকে বের হতে না পারা বিষণ্ণতার লক্ষণ। বিষণ্ণতা ব্যক্তির অনুভূতি ও দৈনন্দিন কাজের ওপর ভীষণ বাজে প্রভাব ফেলে।
বিষণ্ণতার কিছু লক্ষণের বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি। আসুন জানি—
*মনোযোগে সমস্যা, ভুলে যাওয়া এবং সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হওয়া
*সারাক্ষণ অবসন্নভাব
*নিজেকে দোষী ভাবা, অসহায় মনে করা
*হতাশাগ্রস্ত থাকা ও আশাহীন হওয়া
*ঘুমের সমস্যা, খুব ভোরে ঘুম ভেঙে যাওয়া অথবা বেশি ঘুমানো
*বিরক্তি
*সারাক্ষণ অবসন্ন, ক্লান্তবোধ করা
*পছন্দের কাজ করার প্রতি অনাগ্রহ, যৌনতার প্রতি অনীহা
*খুব বেশি খাওয়া বা কম খাওয়া
*চিকিৎসা নেওয়ার পরও হজমে সমস্যা
*শরীরব্যথা, মাথাব্যথা—যেটা সারছে না
*দীর্ঘমেয়াদে মনখারাপ, উদ্বিগ্ন থাকা, ‘শূন্য’ মনে হওয়া
আত্মহননের চিন্তা বা প্রয়াস
কখন সতর্ক হবেন?
১৫ শতাংশ বিষণ্ণতায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে। বিষণ্ণতা জটিল অবস্থায় চলে গেলে এ ধরনের চিন্তা হয়।
*কেউ সারাক্ষণ আত্মহত্যার বা মৃত্যুর কথা বলতে থাকলে।
*বিষণ্ণতা ( ভীষণ মনখারাপ, সবকিছুর প্রতি অনীহা, ঘুম ও খাওয়ার ক্ষেত্রে অসুবিধা) আরো খারাপের দিকে গেলে।
*‘আমি না থাকলে ভালো হতো’ বা ‘আমার চলে যাওয়া উচিত’—এ ধরনের কথা বারবার বলা।
*খুব কাছের বন্ধু বা ভালোবাসার মানুষকে হুট করে দেখতে চাওয়া। কারো ভেতর এসব সমস্যা দেখলে দ্রুত মনোচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।






