দীর্ঘদিন একটি সম্পর্কে থাকার কোনো না কোনো সময় ঝগড়া হতেই পারে। তবে সে ঝগড়া কি সম্পর্ককে গভীর কিংবা মজবুতের কারণ হতে পারে?
প্রেম বা ভালোবাসার সম্পর্ক পুরোটাই আবেগ আর অনুভূতির সংমিশ্রণ। এ ভালোবাসার সম্পর্ক গভীর বা মজবুত হয় কয়েকটি বিষয়ের ওপর।
একটি সম্পর্কের ওঠানামা থাকবেই। তাই বলে ঝগড়া? ঝগড়া হলেই ভালোবাসার সম্পর্কে থাকা দুজন কথার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া। এ কথার দ্বন্দ্ব থেকে অনেক সময় অনেকে বেঁফাস মন্তব্য করে বসেন। যা একজন আরেকজনের সম্মানহানির কারণ হয়ে ওঠে।
মনে রাখা প্রয়োজন, যেকোনো খারাপ পরিস্থিতির সময় কখনও ভালোবাসার সম্পর্কে থাকা দুজন মানুষের ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। বরং এসময় দুজনেরই চুপ থাকা প্রয়োজন।
এ নীরবতা দুইদিন স্থায়ী হলেই সমস্যার প্রকৃত কারণ দুজনেরই বের করা সহজ হয়। বাড়ে পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও সম্মানও। কিন্তু মানসিক এ সম্পর্কে সবকিছু নষ্ট হয়ে যায় ঝগড়ায় জড়ানোর মাধ্যমে।
মনোবিদরা মনে করেন, ঝগড়ার সম্পর্কে জড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ সম্পর্কের ইতি ঘটে। ভরসার জায়গাটাও পৌঁছায় শূন্যের কোঠায়।
তাই ভালোবাসার সম্পর্ককে গভীর এবং মজবুত করতে সম্পর্কে কোনো জটিলতা, ঝগড়া অগ্রাধিকার পাবে না। পাবে না কোনো জড়তা। বরং সুস্থ সম্পর্কে একে অপরের ভালো লাগা, মন্দ লাগা, ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, উদ্বেগ, আনন্দ, চিন্তা– সব রকম অনুভূতিকে দুজনেই প্রাধান্য দিতে চেষ্টা করা উচিত।
ঝগড়ার মাধ্যমে মূলত দুজনের মধ্যে মানসিক দূরত্ব ঘটে। যা পরে সম্পর্কের ফাটল ধরিয়ে সম্পর্কের ভিতটাই ভেঙে দেয়। তাই ঝগড়া নয়, বরং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেই ভালোবাসা গভীর আর মজবুত হয়ে ওঠে। এরজন্য চেষ্টা করুন, অভিমান বা ঝগড়া না করে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার করতে।






