শীতে শ্বাসকষ্ট বাড়ার ৫ কারণ ও প্রতিকার

0
272

শীতকালে শ্বাসকষ্ট বাড়ার শঙ্কা বেশি। প্রাকৃতিক নানা কারণ এর জন্য দায়ী। তাই আগেই যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে তাদের শীতকালে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

শীতে শ্বাসকষ্ট বাড়ার প্রধান কারণগুলো জেনে নিন-

১. ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস: শীতকালে বাতাস ঠান্ডা এবং শুষ্ক থাকে, যা শ্বাসতন্ত্রকে উত্তেজিত করে। এতে ব্রংকাইটিস বা অ্যাজমার রোগীদের শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে।

২. শীতকালীন অ্যালার্জি: শীতকালে ধুলা, ধোঁয়া, ফুলের পরাগ বা বাড়ির ভেতরের ছত্রাক (মোল্ড) বেশি সক্রিয় থাকে। এগুলো শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করে শ্বাসকষ্ট বাড়াতে পারে।

৩. সংক্রমণ (ইনফেকশন): শীতে সর্দি-কাশি, ফ্লু, এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বেশি হয়। এসব ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ফুসফুস এবং শ্বাসনালীকে প্রভাবিত করে শ্বাসকষ্ট বাড়িয়ে দেয়।

৪. ঠান্ডার কারণে ব্রংকোস্পাজম: ঠান্ডা বাতাস শ্বাসনালী সংকুচিত করতে পারে (ব্রংকোস্পাজম), যা অ্যাজমা বা সিওপিডি রোগীদের জন্য বিশেষত বিপজ্জনক।

৫. তাপমাত্রার পরিবর্তন: ঠান্ডা থেকে হঠাৎ উষ্ণ পরিবেশে প্রবেশ করলে বা উষ্ণ পরিবেশ থেকে ঠান্ডায় গেলে শ্বাসনালীর ওপর চাপ পড়ে। এটি ফুসফুসের কার্যক্ষমতাকে ব্যাহত করে এবং শ্বাসকষ্ট বাড়ায়।

শীতে শ্বাসকষ্ট কমানোর উপায়-

১. মাস্ক ব্যবহার করুন: ঠান্ডা বাতাস এড়াতে বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করুন।
২. গরম পানীয় পান করুন: শ্বাসনালী আর্দ্র রাখতে গরম পানি বা চা পান করুন।
৩. ইনহেলার ব্যবহার: অ্যাজমা বা সিওপিডি রোগীদের ইনহেলার ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত।
৪. অ্যালার্জি প্রতিরোধ: ধুলাবালি এবং অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলুন।
৫. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন: শরীরকে বিশ্রাম দিলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
শীতে শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপরের কারণগুলো এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলো অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।