ঢাকার যে চিকিৎসকের কথা-ব্যবহারে অর্ধেক রোগ সেরে যায়!

0
1406
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মো. সালেহ উদ্দিন মাহমুদ (তুষার)।

বাংলাদেশের অধিকাংশ চিকিৎসক রোগীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন না। প্রশ্নের জবাব ও যথেষ্ট সময় দেন না। রোগীর কথা ঠিক মতো না শুনেই দেন প্রেসক্রিপশন। লেখেন অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সেই পরীক্ষা করার জন্য আবার নির্দিষ্ট বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠান। এসব ডায়ানস্টিক সেন্টার থেকেও কমিশন পান তারা। এ অভিযোগ প্রায় সব রোগী ও তাদের স্বজনদের।

অনেকেই বলেন ভারতীয় চিকিৎসকদের কথা ও আচার-ব্যবহারে রোগীর অর্ধেক রোগ সেরে যায়। এটা কথার কথা হলেও অনেকটাই সত্য। অন্তত মানসিক প্রশান্তি নিয়ে চেম্বার থেকে বের হয় রোগীরা। আমি নিজেও ভারতে গিয়ে এর প্রমাণ পেয়েছি। তবে, বাংলাদেশেও ভালো চিকিৎসক রয়েছেন। যারা সুচিকিৎসা দেন। বলাই যায়, এসব চিকিৎসকের সেবা ভারতের চিকিৎসকদের থেকেও উন্নত। চিকিৎসকদের আচরণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ৩টি ঘটনা তুলে ধরছি।

কেস স্ট্যাড-১:

রাজধানীর শেখেরটেক এলাকার বাসিন্দা রাহেলা খাতুন (ছদ্মনাম)। হাঁটু ব্যথার সমস্যা নিয়ে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চিকিৎসক দেখাতে এসেছেন ধানমন্ডির পপুলারে। তার সিরিয়াল নম্বর ৬।

চিকিৎসকের চেম্বারে বসার কথা দুপুর আড়াইটায়। কিন্তু তিনি একটি জরুরি মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় আসতে দেরি হচ্ছে। যদিও আগে থেকেই ডাক্তার সাহেব তার দেরি হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে রেখেছিলেন সহকারীকে। রোগীদের কেউ কেউ আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে চলে এসেছেন।

আমার স্ত্রীকে নিয়ে আমিও ওই চিকিৎসককে দেখাতে অপেক্ষমান। বিকেল ৩টার আগে থেকে।

হাঁটুর ব্যথায় খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন রাহেলা খাতুন। অপেক্ষমান অন্য রোগীরাও। কিন্তু কারও মধ্যে বিরক্তি নেই। চিকিৎসকের প্রতি অভিযোগ-অনুযোগ কিছুই নেই। উল্টো প্রশংসার ডালি খুলে বসলেন রাহেলা খাতুন।

বললেন, ‘হাঁটুর ব্যথায় কাজ করতে পারি না। বসলে উঠতে পারি না। বড় বড় ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি। তারপর ডা. তুষারের সন্ধান পাই। প্রথম যেদিন আসি, সেদিন খুব যত্নসহকারে দেখেছে, অনেক সময় নিয়ে(আধা ঘণ্টার ওপরে)। সব কথা শুনেছে। এমনকি সঙ্গে আসা আমার হাজবেন্ডকেও বেশ কয়েকটা পরীক্ষা দিয়েছে। বলেছে, আঙ্কেলেরও তো বয়স হইছে। কিছু টেস্ট করিয়ে নিয়েন। জানো বাবা, তার কথা ও ব্যবহারে আমার অর্ধেক রোগ সেরে গেছে। আমরা আর্থিকভাবে খানিকটা অসচ্ছল জেনে, সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে টেস্টের জন্য পাঠিয়েছেন। যে পরীক্ষা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা লাগত, সেটা আমি মাত্র সাড়ে ১১শ’ টাকায় করেছি। বাংলাদেশে এত ভালো ডাক্তার আছে, আগে জানতামই না।

এরই মধ্যে রোগীর ভিড় বাড়তে থাকে। সবাই অপেক্ষা করলেও বিরক্তি নেই কারও মধ্যে। বিকেল ৪টার একটু পর ঢুকলেন তিনি। আমাকে দেখে, হাত বাড়িয়ে প্রথমেই বিনয়ের সুরে ‘সরি’ বললেন। যদিও এই ‘সরি’ বলা তার দরকার ছিল না। কারণ তিনি তো আমাকে আগেই জানিয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মো. সালেহ উদ্দিন মাহমুদ (তুষার), এমবিবিএস, বিসিএস, এমএসসি, এমফিল (ইংল্যান্ড), স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ২০২০ সালের করোনার সময় থেকে তাকে চিনি। অসংখ্য সাংবাদিককে ওই সময় চিকিৎসা দিয়েছেন তিনি।

যতদূর জানি, বাংলাদেশে তিনিই একমাত্র চিকিৎসক যিনি এককভাবে ফোন ও সরাসরি তিন সহস্রাধিক করোনা রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছেন। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্মাননাও পেয়েছেন। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, উনি কখনও বিরক্ত হন না। রোগী ও রোগীর স্বজনদের ফোন তিনি নিজে রিসিভ করেন। কখনও ব্যস্ততায় ফোন ধরতে না পারলে, পরে ব্যাক করেন। যা সত্যি অভাবনীয়। পরিচিত-অপরিচিত নেই, সবাই তার কাছে সমান মর্যাদার।

বিকেল ৪টার দিকে চেম্বারে ঢুকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত রোগী দেখলেন তিনজন। অন্য ডাক্তার হলে অন্তত ৩০ জন রোগী দেখতেন এ সময়ের মধ্যে। যাহোক, আমাদের ডাকলেন তিনি নিজেই। ফের ‘সরি’ বললেন। এতে আমি খানিকটা লজ্জা পেলাম। একটা মানুষ এত বিনয়ী হয় কীভাবে। রোগীর কাছে তিনি এতবার সরি বলবেন কেন? এ প্রশ্ন এ কারণেই মনে ঘুরপাক খাচ্ছে বা লজ্জা পাচ্ছি। কারণ, বাংলাদেশের কোনো ডাক্তার এমন করে বলে আমার জানা নেই। আমি এর আগেও একাধিকবার তার চেম্বারে গিয়েছি। চেয়ার থেকে নিজে উঠে এসে রিসিভ করা বা রোগী দেখার পর দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দেয়া। এগুলো আসলে ভাবতে পারি না।

প্রথমদিকে ভাবতাম, আমি সাংবাদিক। তাই হয়তো আলাদাভাবে খাতির করে। কিন্তু পরে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, তিনি সব রোগীর ক্ষেত্রেই এটা করেন। আমি ও আমার স্ত্রী তার কাছে যতবার গিয়েছি। ততবারই মুগ্ধ হয়ে ফিরেছি। আমার স্ত্রীও বলে, তুষার ভাইয়ের কাছে গেলে অর্ধেক রোগ এমনিতেই সেরে যায়। লোকে বলে, সৃষ্টিকর্তার পরেই হলো চিকিৎসক। ডা. তুষার সেটারই বড় উদাহরণ।

এদিন কথা প্রসঙ্গে দিপ্তী (আমার স্ত্রী) ডা. তুষারকে বলছিল, ‘ভাই আপনি তো ওষুধই দিতে চান না। আগে একবার পেটে সিস্ট ধরা পড়ল। কিন্তু আপনি ওষুধ দিলেন না। শুধু সকালে একটা পরিমাণ মতো পানি খেতে বললেন। আর সে অনুযায়ী চলার পর আমার রোগ সেরে গেল ওষুধ ছাড়াই। অন্য ডাক্তার হলে কত যে পরীক্ষা দিত, আর ওষুধের তো কোনো শেষ ছিল না।’

ডা. তুষার হাসলেন। বললেন, ওষুধ না লাগলে দেব কেন। আপনার বেশ কয়েকটা রোগ ধরা পড়েছে। তবে, ওষুধ দেব খুবই কম। যেটা দরকার, ঠিক সেটাই। বাড়তি নয়। তাতেই সেরে যাবে।’ আসলেই তিনি তাই করলেন।

ডাক্তার তুষার রোগী দেখেন কম। সুনাম অর্জন করেন বেশি। অর্থের লোভ নেই বললেই চলে। গরিব রোগীদের কাছ থেকে ভিজিট নেন না।

কেস স্টাডি-২

দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলার বিভাগীয় প্রধান রোগী দেখেন ধানমন্ডির নামকরা একটি প্রতিষ্ঠানে। আমার স্ত্রীর গলার সমস্যা নিয়ে তার কাছে গেলাম। আগে থেকেই আমার এক চিকিৎসক বড় ভাই তাকে ফোন করে দিয়েছিলেন আমার যাওয়ার ব্যাপারে।

আমার বাসা ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। যানজট মাড়িয়ে ধানমন্ডি যেতে সময় লাগল ২ ঘণ্টার বেশি। পৌঁছে দেখি ডাক্তারের রোগী দেখা প্রায় শেষের দিকে। রোগী ঢুকছে আর বের হচ্ছে। মিনিটে গড়ে দুজন করে রোগী দেখছেন তিনি। বিষয়টা দেখে মন খারাপ হয়ে গেল আমাদের দুজনের। তবুও যেহেতু কষ্ট করে আসছি। আর একজন চিকিৎসক আমাদের ব্যাপারে ফোন করে দিছেন। সে জন্য ডাক পড়ার পর তার রুমে ঢুকলাম। ভেতরে ঢুকে সালাম দিলাম। বললাম, আমরা অমুক চিকিৎসকের লোক। কিন্তু সালাম ও আমার কথার কোনো উত্তরই দিলেন না!

রোগীকে তার পাশের চেয়ারটায় বসালেন। বললেন, কী সমস্যা? দিপ্তী (আমার স্ত্রী) বলল, গলার মধ্যে অস্বস্তি! ব্যথা। হা করতে বললেন চিকিৎসক। লাইট দিয়ে কী যেন দেখলেন। আর এরই মধ্যে আর কিছু না শুনেই কয়েকটা পরীক্ষা, এন্টিবায়োটিক লিখে দিলেন। পরীক্ষা করতে হবে ওই প্রতিষ্ঠান থেকেই, বলে দিলেন তিনি। সব মিলিয়ে সময় দিলেন ১৯ সেকেন্ড। ভিজিট নিলেন ১ হাজার ৫শ’!

আমার কোনো কথা বলার সুযোগ দিলেন না। রোগীর কাছেও আর কিছু শুনলেন না। কী হইছে, তাও তিনি বললেন না। তার এ চিকিৎসা দেয়া আমাদের পছন্দ হলো না। তাই, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ না কিনেই চলে এলাম। জলে গেল ১৫শ’ টাকা।

কেস স্ট্যাডি-৩

স্ত্রীর গলার এ সমস্যা নিয়ে এবার গেলাম ঢাকার সবচেয়ে নামকরা একটি স্পেশালাইজড হাসপাতালে। এ হাসপাতালে প্রচুর রোগীর ভিড়। এখনকার যিনি প্রধান চিকিৎসক, তার সিরিয়াল পাওয়া বেশ কঠিন। তিনি শুধু যাদের মূলত অপারেশন করা লাগবে, তাদের দেখেন। আর অন্য রোগীদের দেখেন তার অ্যাসিস্ট্যান্ট চিকিৎসকরা।

ভাবলাম, হাসপাতালের নিয়ম মেনেই চলি। তাই যথারীতি ওই জুনিয়র চিকিৎসকদের একজনের কাছে সিরিয়াল নিলাম। এখানে নিয়ম হলো- জুনিয়র চিকিৎসকরা দেখবেন। তারা যদি মনে করেন, রোগীর অপারেশন লাগবে। তখন তারা রোগীকে রেফার্ড করেন ওই প্রধান চিকিৎসককে। এ নিয়মটা আমার কাছে মন্দ লাগেনি। যাহোক, যথারীতি ডাক্তার দেখাতে গেলাম।

বসে থাকার এক ঘণ্টা পর ডাক পড়লে ভেতরে ঢুকে তরুণ চিকিৎসককে সালাম দিলাম। তিনি উত্তর নিলেন। বসতেও বললেন। লাইট দিয়ে গলার মধ্যে দেখলেন। পরীক্ষা দিলেন। ওষুধ লিখলেন। শুধু বললেন, টনসিলে সমস্যা। সময় নিলেন ৩৫ সেকেন্ড। এখানকার নিয়ম ভিজিট দিয়ে সিরিয়াল নিতে হয়। তাই ১৫শ’ টাকা আগেই দেয়া হয়েছে।

এখানে একটা কথা বলে রাখি, ঢাকায় সাধারণত বিভাগীয় প্রধান বা চেয়ারম্যান (চিকিৎসক) ছাড়া ১ হাজার টাকা ভিজিট নেন। কিন্তু এখানে জুনিয়র হয়েও ভিজিট ৫শ’ টাকা বেশি নিলেন। ভিজিট নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নাই। আমার কথা হলো, চিকিৎসা ও ডাক্তারের ব্যবহারটা যেন সঠিক ও সুন্দর হয়।

যাহোক, ডাক্তারের বলে দেয়া প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা করালাম। পরদিন গেলাম আবার। রিপোর্ট দেখে বললেন, টনসিল অপারেশন করতে হবে। তিনি রেফার্ড করে দিলেন ওই হাসপাতালের বড় চিকিৎসককে। আর জানতে চাইলেন, কবে অপারেশন করাবো। আমরা বললাম, ভেবে দেখি। অনেক পরীক্ষা দিলেন। কোথা (বেসরকারি প্রতিষ্ঠান) থেকে পরীক্ষা করতে হবে, তাও বলে দিলেন। বহু প্রকার ওষুধ লিখলেন। এখানেও আমি খানিকটা হতাশ হলাম। কারণ আমার মনে হচ্ছিল সঠিক চিকিৎসা হয়তো পেলাম না। আমার স্ত্রী বলল, অপারেশন করার মতো কিছু হয়নি। দেখি ওষুধ খেয়ে, কী হয়। এন্টিবায়োটিক খাওয়ার পর গলার ব্যথা কমে গেল। তারপর মোটামুটি কয়েক মাস স্বাভাবিক।

এর চার মাস পর দিপ্তীর পেটে ব্যথার সমস্যা নিয়ে গেলাম ডা. তুষার ভাইয়ের কাছে। তিনি বেশ সময় নিয়ে দেখে-শুনে পেটের সমস্যার জন্য মাত্র এক প্রকার ওষুধ দিলেন। তিন দিন খেতে হবে। তখন প্রেশার হাই থাকার কারণে বেশ কয়েকটি পরীক্ষা দিলেন। বললেন, ভাবি বার বার কষ্ট করে আসার দরকার নেই। আপনি এই পরীক্ষাগুলো করে ফেলেন। আপনার শরীরের আরও কোনো সমস্যা থাকলে ট্রিটমেন্ট হয়ে যাবে। নিজ থেকে তুষার ভাইয়ের এ আগ্রহটা দেখে আমি খানিকটা আপ্লুত।

তিনি আমাদের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান দিলেন। যেখানে ৮টা পরীক্ষা করতে লাগল ১৩শ’ টাকা। অথচ তিনি যেখানে রোগী দেখেন, সেখানে বা অন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষাগুলো করাতে ছাড় দেয়ার পরও হতো খরচ ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা।

এরই মধ্যে তিন দিনের ওষুধে পেট ব্যথার সমস্যার সমাধান হলো। পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে সপ্তাহখানেক পর গেলাম তাঁর (ডা. তুষার) কাছে। সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন। এর আগে তিনি বলেছিলেন, আগে যদি কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি, সেইসব কাগজপত্র নিয়ে যেতে। তাই সেই নাক কান গলার স্পেশালাইজড হসপিটালের চিকিৎসকের দেয়া গলার আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টটাও নিয়ে তাকে দিলাম।

প্রথমে তাঁর নিজের দেয়া টেস্টের রিপোর্ট দেখলেন। বললেন থাইরয়েড মাত্রাতিরিক্ত। এছাড়াও এটার কারণে শরীরে অন্য রোগও বাসা বেঁধেছে। পরে আগের চিকিৎসকের দেয়া পরীক্ষার রিপোর্ট দেখলেন। এটা দেখে বললেন, ভাবি আপনার তো চার মাস আগে থাইরয়েড ধরা পড়েছে। কিন্তু ওষুধ খাননি? এটা শুনে আমরা যেন আকাশ থেকে পড়লাম।

আমি বললাম, কী বলেন ভাই। ওই ডাক্তার তো বলল, টনসিলের সমস্যা। অপারেশন করতে হবে। পরে তিনি আমার সামনে রিপোর্টটি এগিয়ে দিয়ে দেখালেন স্পষ্ট লেখা আছে থাইরয়েড হয়েছে। এরপর আমাদের আর কিছু বুঝতে বাকি থাকল না। ডাক্তার সাহেবও আর কিছু বললেন না।

ওষুধ লিখলেন চার প্রকার। আর বললেন, ভাবি এই ৪ প্রকার ওষুধ আপনার চার রোগের জন্য। আরও দুটো টেস্ট দিয়ে বললেন ১৫ দিন পর রিপোর্টটা দেখাবেন প্লিজ…!

সবশেষ একটা কথাই বলতে চাই, বাগানে অসংখ্য ফুলের মধ্যে থাকা গোলাপটা খুঁজে বের করা আমাদের খুই জরুরি।

লেখক

প্রভাষ চৌধুরী
ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ (ওয়েব)
সময় টেলিভিশন, ঢাকা।
provash@somoynews.tv