হিমসাগর-গোপালভোগ আম চিনবেন যেভাবে

0
31

চারদিকে ভেজালের ভিড়ে আসল জিনিস চেনা আজকাল মুশকিল হয়ে পড়ে। প্রকৃতিতে এখন আম-কাঁঠালের মৌসুম শুরু হয়েছে। তাই বাজারে আসা অনেক ধরনের ফলের ভিড়ে আপানর পছন্দের ফলটি চিনতে সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

সাধারণ মানুষ বাজারে হিমসাগর আম কিনতে গেলে বিভ্রান্ত হওয়া খুব স্বাভাবিক। বাজারে এমন অনেক জাতের আম রয়েছে, যা দেখলে হিমসাগর বলে মনে হতে পারে। আমের সঠিক জাত চেনা থাকলে এই বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে চিনবেন হিমসাগরসহ অন্যান্য জাতের আম?

হিমসাগর আম: বাঙালির চোখের মণি এই আম মে মাসের শুরুতেই বাজারে চলে আসে। তবে এর আয়ু বেশ কম। হিমসাগর চেনার প্রধান উপায় হলো এর গায়ের রং। পেকে গেলেও এই আমের বাইরের খোসা কিন্তু সবুজই থাকে। ভেতরটা হয় গাঢ় হলুদ। মাঝারি আকারের এই আমের স্বাদ অত্যন্ত মিষ্টি। অবশ্য ঘ্রাণেই লুকিয়ে থাকে এর আসল পরিচয়।

গোপালভোগ আম: মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এর আনাগোনা। বাংলাদেশের নরহাট্টার গোপাল নামে এক ব্যক্তির হাত ধরে এই আমের চাষ শুরু হয়। তখন থেকেই নাম গোপালভোগ। এর সবুজ খোসার গায়ে হালকা হলুদ দাগ থাকে। আমটি পুরোপুরি পেকে গেলে একেবারে টুকটুকে হলুদ রং ধারণ করে।

গোলাপখাস আম: নামের মধ্যেই এর সার্থকতা। এই আমের ঘ্রাণ অনেকটা গোলাপের মতো। দেখতেও অনেক সুন্দর। এই আমের গায়ে হলুদ, সবুজ আর লালের এক অদ্ভুত মিশ্রণ থাকে। পাকলে এই আমের নিচের দিকে এক চমৎকার লালচে আভা ফুটে ওঠে। প্রাচীন বাংলার আমগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। নবাবী আমলের গোলাপখাস পাকাতেও মিষ্টি কাঁচাতেও মিষ্টি।

চোষা আম: ইতিহাস বলে, ষোড়শ শতকে স্বয়ং শের শাহ এই আমের নামকরণ করেছিলেন। এই আম চেনার সহজতম উপায় হলো এর উজ্জ্বল সোনালি হলুদ রং। আকারে এটি একটু লম্বা ধরনের হয়।