ইদানীং তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। একটু ঘুম না হলেই এর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এছাড়া সাধারণত রোগীদের ঘুমের সমস্যা দূর করতে ডাক্তাররা ঘুমের ওষুধ খাওয়ারও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, ঘুম ভালো হওয়ার জন্য নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেলে এ অভ্যাসের দীর্ঘকালীন প্রভাব পড়ে শরীরের ওপর।
মানসিক চাপ, অবসাদ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে ভালো ঘুমের আশায় অনেকেই ঘুমের ওষুধ নিয়ে থাকেন। নিয়মিত সেবন করলে একটা সময় শরীর ওই ওষুধটির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।
আবার কখনও কখনও কোনো কিছুর ওপর রাগ করে কিংবা আত্মহত্যার উদ্দেশ্যেও অনেকে ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। বাড়িতে যদি কেউ অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে ফেলেন কী করতে হবে তখন? জেনে নেয়া যাক-
১. রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
২. কুসুম গরম পানিতে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট মিশিয়ে তা দিয়ে রোগীর পাকস্থলী ধুতে হবে।
৩. প্রয়োজনে রোগীকে অক্সিজেন ও কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিতে হবে।
৪. শিরাপথে রোগীকে স্যালাইন দিতে হবে।
৫. রোগী যদি অনেকক্ষণ আগে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকে, তাহলে মূত্রবর্ধক ওষুধ দিয়ে রোগীকে প্রস্রাব করাতে হবে।
৬. রোগী অনেকক্ষণ ধরে অচেতন থাকলে তাকে নাকে নল দিয়ে দুধ ও গ্লুকোজ খাওয়াতে হবে।






